✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

মূল্যস্ফীতি, টিকে থাকতে চুল-ব্যবহৃত কাপড় বিক্রি করছে ইরানিরা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-০৪, | ১৯:২১:১৫ |

যুদ্ধ ও লাগামহীন মুদ্রাস্ফীতির কশাঘাতে ইরানের অর্থনীতি এখন চরম সংকটের মুখে। নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনধারণ ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে, যা দেশটির পরিবারগুলোকে এক অনিশ্চিত লড়াইয়ের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। ফলে তারা টিকে থাকার লড়াইয়ে নামতে বাধ্য হচ্ছে। সামান্য কিছু রিয়াল উপার্জনের আশায় সাধারণ ইরানিরা তাদের মাথার চুল, ব্যবহৃত পোশাক, কাজের জুতো থেকে শুরু করে ব্যবহৃত সুগন্ধির খালি বোতল পর্যন্ত অনলাইনে বিক্রি করছেন। এমনকি নতুন পণ্য কেনার সামর্থ্য হারিয়ে অনেকে এখন দৈনন্দিন কাজ কিংবা অনলাইন ক্লাসের জন্য ল্যাপটপের মতো ইলেকট্রনিক সামগ্রীও ভাড়ায় নিচ্ছেন।

ইরানের বার্তা সংস্থা আইএলএনএ এবং দেশটির পরিসংখ্যান কেন্দ্রের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে। দেশটিতে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ৬৬ শতাংশে এবং বছরভিত্তিক সার্বিক মূল্যস্ফীতি প্রায় ৮৮ শতাংশে গিয়ে পৌঁছেছে। 

ফলে খাদ্যপণ্য ও অন্যান্য মৌলিক চাহিদার লাগামছাড়া দামের কারণে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো দৈনন্দিন খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। বিশেষ করে কৃত্রিম চুল বা উইগ তৈরির জন্য প্রাকৃতিক চুল বিক্রির প্রবণতা ইদানীং উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। 

চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধের খরচ মেটাতেও অনেক পরিবারকে এখন কিস্তির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এই চরম অর্থনৈতিক সংকটে সম্পদ মালিকানার স্বাভাবিক মানসিকতাকে পেছনে ফেলে কীভাবে শুধু বেঁচে থাকার ন্যূনতম রসদ জোগাড় করা যায়, সেটাই এখন ইরানি পরিবারগুলোর প্রধান চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..