✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

পাকিস্তানে থানার সামনে আত্মঘাতী বোমা হামলা, নিহত ১৪

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-০৩, | ১০:৫২:৫৮ |
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সোয়াত উপত্যকায় একটি পুলিশ স্টেশনের (থানা) সামনে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ২২ জন আহত হয়েছেন। 

রোববার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় আফগানিস্তান সীমান্তসংলগ্ন খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সোয়াত উপত্যকার কাবাল শহরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

সোয়াত জেলার পুলিশ কর্মকর্তা (ডিপিও) উমর খান জানান, পুলিশ স্টেশনের প্রবেশমুখে দায়িত্বে থাকা সদস্যরা এক ব্যক্তিকে থামিয়ে তল্লাশির চেষ্টা করলে তিনি শরীরে থাকা বিস্ফোরকের বিস্ফোরণ ঘটান।

সোয়াত অঞ্চলের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) অব পুলিশ ফিদা হুসেইন জানান, হামলায় অন্তত ২২ জন আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণটি এমন সময় ঘটে, যখন পাশের একটি মোড়ে কয়েক শ মানুষ এলাকায় ক্রমবর্ধমান সহিংসতার বিরুদ্ধে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে সমাবেশ করছিলেন।

সমাবেশের শেষ বক্তা বক্তব্য দেওয়ার সময়ই বিস্ফোরণ ঘটে। এতে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং মানুষ প্রাণ বাঁচাতে ছুটোছুটি শুরু করেন।

উমর খান বলেন, ঘটনার পর নিরাপত্তা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে এবং তদন্ত শুরু করে। আহতদের কাছের শহর সাইদু শরিফের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। একইসঙ্গে পুলিশ এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে।

পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এক বিবৃতিতে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

বিক্ষোভকারীরা মূলত সোয়াতে আবারও বেড়ে চলা সহিংস হামলার প্রতিবাদ জানাতে সমবেত হয়েছিলেন। ২০০৯ সালে সামরিক অভিযানের আগে পাকিস্তানি তালেবানের অন্যতম শক্ত ঘাঁটি ছিল এ সোয়াত উপত্যকা।

সূত্র : আল-জাজিরা।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..