✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

শতবর্ষী বিশ্বকাপের ফাইনাল নিজেদের ঘরে আনতে মরক্কোর বিশাল প্রস্তুতি

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-২৪, | ১২:০১:৪১ |

বিশ্বকাপের শতবর্ষী আসরের ফাইনাল ম্যাচটি আয়োজনের স্বাগতিক অধিকার পেতে এখন মুখোমুখি অবস্থানে স্পেন ও মরক্কো। প্রথম আসরের ঠিক ১০০ বছর পর, ২০৩০ সালের এই ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ আয়োজিত হতে যাচ্ছে তিনটি মহাদেশের ছয়টি দেশজুড়ে। 

২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল নিজেদের মাটিতে দেখতে মুখিয়ে আছে মরক্কো, আর তাই তারা তৈরি করছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ফুটবল স্টেডিয়াম। তবে মরক্কোর এই বিশাল স্বপ্নের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে স্পেনের ঐতিহাসিক ভেন্যু 'সান্তিয়াগো বার্নাবু'। প্রায় ১৯১ কোটি ডলার ব্যয়ে নতুন রূপে সংস্কার করা রিয়াল মাদ্রিদের এই স্টেডিয়ামটি এখন পর্যন্ত ফাইনাল আয়োজনের মূল দাবিদার হিসেবে দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে।

কাসাব্লাঙ্কার প্রায় ২৫ মাইল উত্তরে 'এল মনসুরিয়া'-তে নির্মাণাধীন 'গ্র্যান্ড স্টেডিয়াম হাসান ২'-এর কাজ এগিয়ে যাওয়ার নতুন কিছু ভিডিও ফুটেজ সামনে এসেছে। এই স্টেডিয়ামটিতে একসঙ্গে ১ লাখ ১৫ হাজার দর্শক বসে খেলা দেখতে পারবেন—যা উত্তর কোরিয়ার 'রুংরাডো ফার্স্ট অফ মে' স্টেডিয়ামের চেয়ে ১,০০০ আসন বেশি। 

২০২৮ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলা এই স্টেডিয়ামটিতে মরক্কো জাতীয় দলের পাশাপাশি স্থানীয় বিখ্যাত দুই ক্লাব 'রাজা সিএ' এবং 'ওয়াইদাদ এসি' তাদের ম্যাচগুলো খেলবে।

মরক্কোর নিজস্ব সংস্কৃতিকে সম্মান জানিয়ে একটি 'মুসেম' তম্বুর আদলে এর চোখধাঁধানো অ্যালুমিনিয়ামের ছাদটি ডিজাইন করা হয়েছে। খ্যাতনামা আর্কিটেকচারাল ফার্ম 'পপুলাস' এবং মরক্কোর স্থপতি প্রতিষ্ঠান 'ওয়ালালো + চয়' যৌথভাবে এর নকশা তৈরি করেছে।

বিশাল বাগানঘেরা আশপাশের এলাকা এবং অন্তত ১২ হাজার ভিআইপি ও হ অতিথির ধারণক্ষমতা সম্পন্ন এই স্টেডিয়ামটি ফিফার যেকোনো চাহিদার সঙ্গে একদম হুবহু মিলে যায়। বিলিয়ন ডলারের মেগা-স্টেডিয়ামগুলোর এই যুগে সরকার মাত্র ৫০ কোটি ডলার  ব্যয়ে প্রকল্পটি শেষ করার আশা করছে, যা সত্যিই বেশ সাশ্রয়ী। কোনো অর্থহীন বা বোঝা হয়ে থাকা প্রকল্প এড়িয়ে চলতে স্টেডিয়ামটিকে মূল কেন্দ্রবিন্দু বানিয়ে চারপাশে একটি প্রাণবন্ত খেলাধুলা ও বিনোদন জোন গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..