✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

অভিজ্ঞতার জয়রথ স্পেন থামাতে পারবে কি?

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১৯, | ১৬:১৩:৫১ |

বয়স যে কেবলই একটি সংখ্যা, ফুটবল মাঠে তার আরও একটি নিখুঁত প্রমাণ রাখল আর্জেন্টিনা। উত্তর আমেরিকায় চলমান বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে এক অভিজ্ঞ ও প্রবীণ স্কোয়াডের ওপর ভরসা রেখেছিলেন কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি। আর কোচের সেই বাজি যে শতভাগ সফল, তা আলবিসেলেস্তেদের টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার মাধ্যমেই প্রমাণিত। ফুটবলের মহোৎসবে নিজেদের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালের টিকিট কাটা স্পেনের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে মেসির দল।

চলতি টুর্নামেন্টের মাঝপথেই ৩৯ বছরে পা দিয়েছেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা তারকা লিওনেল মেসি। তার নেতৃত্বাধীন এই আর্জেন্টিনা দলের গড় বয়স ২৯.২ বছর, যা এবারের আসরের সপ্তম সর্বোচ্চ বয়স্ক স্কোয়াড। তবে এই বার্ধক্যের ছাপ দলের পারফরম্যান্সে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারেনি। কাতার বিশ্বকাপের শিরোপাজয়ী মূল দলটির প্রায় সব খেলোয়াড়ই এবারও একসঙ্গে খেলছেন। দীর্ঘদিনের এই বোঝাপড়া, মাঠের মেলবন্ধন এবং দলের প্রতি নিবেদনই স্কালোনি ও তাঁর শিষ্যদের জন্য কাঙ্ক্ষিত ফলাফল বয়ে এনেছে।

এবারের আসরে আর্জেন্টিনার এই স্মরণীয় যাত্রার শুরুটা হয়েছিল অধিনায়ক মেসির একক নৈপুণ্যে। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচেই আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে নিজের বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিকসহ প্রথম তিন ম্যাচেই তিনি করেন দৃষ্টিনন্দন ৬টি গোল। নকআউট পর্বেও তাঁর সেই গোলবন্যা অব্যাহত থাকে এবং পুরো টুর্নামেন্টে সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪টি গোল।

টুর্নামেন্টের শুরুর দিকে এককভাবে মেসিই দলের জয়ের মূল কাণ্ডারি মনে হলেও নকআউটের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে দৃশ্যপট কিছুটা বদলায়। দলের অন্যান্য খেলোয়াড়রাও সঠিক সময়ে জ্বলে উঠেছেন এবং মোক্ষম মুহূর্তে গোল করে দলকে ফাইনালে তুলতে অবদান রেখেছেন। অভিজ্ঞতার গভীরতা, কঠিন মুহূর্তে মাথা ঠান্ডা রাখার ক্ষমতা এবং দলগত সংহতিই মূলত এই বুড়ো হাড়ের ভেলকিকে বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ স্তরে টিকিয়ে রেখেছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..