✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

মাঠে নরওয়ের ভাইকিং উল্লাস বনাম ইতিহাসের নিষ্ঠুরতা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১১, | ২০:৩৭:৪৯ |

চলতি ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নরওয়ের সমর্থকদের গ্যালারি উদযাপন ‘ভাইকিং রো’ ব্যাপক আলোচনায় এসেছে। হাজারো সমর্থক একসঙ্গে বসে ভাইকিং যুদ্ধজাহাজের দাঁড় টানার ভঙ্গিতে উল্লাস করলে সেই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে এই উদযাপনে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন নরওয়েজীয় সমর্থক এমিল ল্যাপেন। তার বক্তব্যের পর ভাইকিংদের ইতিহাস এবং এই উদযাপনের ঐতিহাসিক ভিত্তি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

নরওয়ের একটি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমিল ল্যাপেন বলেন, এই উদযাপনের ধারণাটি ইতিহাসসম্মত নয়। তার ভাষ্য, ভাইকিংরা আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় মূলত পাল ব্যবহার করত, দাঁড় নয়। দাঁড় টানা হতো নদী বা উপকূলীয় এলাকায় অভিযান চালানোর সময়। তাই তিনি এই উদযাপনে অংশ নেবেন না। ইতিহাসবিদদের একাংশও তার এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত হয়েছেন।

ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, ভাইকিংদের দাঁড় টানার ইতিহাসের সঙ্গে বীরত্বের পাশাপাশি নৃশংসতারও সম্পর্ক রয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, সমুদ্রযাত্রায় বাতাস না থাকলে যুদ্ধবন্দী ও ক্রীতদাসদের শিকলে বেঁধে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড় টানতে বাধ্য করা হতো।

এ ছাড়া ভাইকিংদের অন্যতম রণকৌশল ছিল অতর্কিত হামলা। তাদের জাহাজ অগভীর নদীপথেও চলতে পারত। ইতিহাসবিদদের মতে, উপকূলীয় এলাকায় দাঁড় টেনে জাহাজ এগিয়ে আসার অর্থই ছিল লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও হামলার আশঙ্কা।

সমালোচকদের আরেকটি দাবি, বর্তমানের ‘ভাইকিং রো’ নরওয়ের ঐতিহ্যবাহী ফুটবল সংস্কৃতির অংশ নয়। তাদের মতে, এটি ২০১৬ ইউরোতে আইসল্যান্ডের জনপ্রিয় ‘থান্ডার ক্ল্যাপ’ উদযাপনের অনুকরণ। কেউ কেউ আবার বলছেন, ফুটবল মাঠে জনপ্রিয় হওয়ার আগে এই ধরনের ভঙ্গি হেভি মেটাল কনসার্টের দর্শক সংস্কৃতির সঙ্গেও যুক্ত ছিল।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..