✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

এআই ক্যামেরায় এ পর্যন্ত ১৫০০ মামলা: ডিএমপি

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-৩০, | ১৪:৪০:০২ |
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকায় লেক রোডে এআই ক্যামেরার মাধ্যমে ট্রাফিক মামলা দায়ের ও যানবাহন মনিটরিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। আজ মঙ্গলবার ট্রাফিক তেজগাঁও বিভাগ কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় তিনি এআই ক্যামেরা কন্ট্রোলরুম পরিদর্শন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএমপির কমিশনার জানান, এআই ক্যামেরা চালু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৫০০টি মামলা করা হয়েছে।

রাজধানীতে আগে ১৫টি ইন্টারসেকশনে এআই ক্যামেরা ছিল। আজ মঙ্গলবার আরও চারটি যুক্ত হওয়ায় এখন ১৯টি ইন্টারসেকশনে এআই ক্যামেরা চালু হলো। পর্যায়ক্রমে মহানগরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এ ধরনের ক্যামেরা বসানো হবে।

তিনি বলেন, এআই ক্যামেরার মাধ্যমে মামলা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মোবাইলে বার্তা পাঠানো হবে। পাশাপাশি ডাকযোগেও মামলার কাগজপত্র গাড়ির মালিকের ঠিকানায় পাঠানো হবে। জরিমানার অর্থ ট্রাফিক অফিসে জমা হওয়ার পর তা সিস্টেমে যুক্ত হয়। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় করা প্রায় ৩৮ হাজার মামলা (সমন) এখনও নিষ্পত্তির অপেক্ষায়।

ঢাকার পুলিশ প্রধান বলেন, মহানগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে কৌশলগত ডাইভারসন ব্যবস্থা চালু এবং অপ্রয়োজনীয় ক্রসিং বন্ধ করার ফলে যানজট অনেকটাই কমে এসেছে। এছাড়া, চালকদের লেনে থাকা এবং সিগন্যাল মেনে চলার প্রবণতা বাড়াতে এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, যা ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় দৃশ্যমান উন্নয়ন এনেছে। 

তিনি বলেন, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো যানবাহন গতিসীমা লঙ্ঘন করলে, বিপজ্জনকভাবে লেন পরিবর্তন করলে, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালালে কিংবা অবৈধ পার্কিং করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত হবে। সরাসরি কমান্ড সেন্টারের মাধ্যমে নিখুঁতভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ‘ই-প্রসিকিউশন’ বা মামলা রুজু করা হবে, যা গাড়ির মালিক বা চালক স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি করতে পারবেন। এর ফলে ট্রাফিক পুলিশকে সড়কে সশরীরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি থামানোর প্রয়োজন হবে না।

এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ডিএমপির পক্ষে এককভাবে রাজধানী থেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সরিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..