✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

নারকেলের ছোবড়ায় কোটি টাকার ব্যবসা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-২২, | ১২:৫৮:৩৭ |

এক যুগ আগেও ফেলে দেওয়া হতো নারকেলের ছোবড়া। আবার কেউ কেউ এটি কেবল জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করতেন। তবে এই ছোবড়া এখন আর ফেলনা নয়; এটি থেকে তৈরি হচ্ছে জাজিম, গদি, সোফা, দড়ি ও কৃষিপণ্যসহ নানা দরকারি জিনিস। লক্ষ্মীপুরে উৎপাদিত নারকেলের ছোবড়া এখন যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। ফেলনা এই ছোবড়াই মূলত ঘুরিয়ে দিচ্ছে লক্ষ্মীপুর জেলার অর্থনীতির চাকা। জেলায় ছোবড়া পণ্যের প্রায় ৩০টির মতো কারখানা রয়েছে, যেখানে বছরে কয়েক কোটি টাকার ব্যবসা হয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

জানা যায়, লক্ষ্মীপুর জেলায় নারকেলের ছোবড়া থেকে আঁশ ও গুঁড়া তৈরি হচ্ছে। নারকেলের আঁশ (ফাইবার) থেকে জাজিম, গদি, দড়ি, স্লিপার (জুতা), খেলনা ও শৌখিন সামগ্রী তৈরি হয়। আবার ফাইবার তৈরির সময় উপজাত (বাই-প্রোডাক্ট) হিসেবে প্রচুর গুঁড়াও উৎপাদিত হয়। এই গুঁড়া বা 'কোকোডাস্ট' কৃষিকাজে ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে টবে বা যেসব বাগানে মাটির অভাব রয়েছে, সেখানে এই গুঁড়া দারুণ কার্যকরী।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, জেলায় ২ হাজার ৭৩৫ হেক্টর জমিতে নারকেলের বাগান রয়েছে। এর বাইরে প্রায় প্রতিটি বাড়ির আঙিনাতেই কম-বেশি নারকেল গাছ আছে।

স্থানীয় শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা জানান, জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে নারকেল সংগ্রহ করার পর তা ছুলে ছোবড়াগুলো কারখানায় ফাটানো হয়। এসব ছোবড়া ও আঁশ জেলার চাহিদা মিটিয়ে পাঠানো হচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। প্রতিটি কারখানা থেকে মাসে গড়ে প্রায় ৩ লাখ টাকার ছোবড়া বা আঁশ বিক্রি করা হয়। আর প্রতিটি কারখানায় গড়ে ৮ থেকে ১০ জন শ্রমিক কাজ করছেন।

জেলা বিসিক শিল্প নগরীর উপব্যবস্থাপক ফজলুল করিম বলেন, লক্ষ্মীপুর জেলা নারকেল, সুপারি ও সয়াবিনের জন্য বিখ্যাত। সেই হিসাবে নারকেলের ছোবড়া এখানে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি শিল্প। বর্তমানে এই শিল্পের সাথে প্রায় ৩০ জন উদ্যোক্তা জড়িত রয়েছেন। উদ্যোক্তারা বিসিকের সাথে যোগাযোগ করলে ক্ষুদ্রঋণ সহায়তা, প্রশিক্ষণ এবং শিল্প নিবন্ধনের আওতায় আসার সুযোগ পাবেন।

এই খাতের বিকাশ ও প্রসারে উদ্যোক্তাদের বিসিকের সাথে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দেন এই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..