সর্বশেষ :

অবরোধ কার্যকর, ইরানের জাহাজকে নিশানার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-১৪, | ০১:১৩:৫৫ |
ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ কার্যকর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি এটি কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ইরানি জাহাজ ধ্বংসের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ হুঁশিয়ারি দেন। এতে করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে এবং ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তি নতুন করে ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার ওয়াশিংটন সময় সকাল ১০টা থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে যাতায়াতকারী সব জাহাজের ওপর এই অবরোধ কার্যকর হয়। পাকিস্তানে সাম্প্রতিক আলোচনায় সমঝোতা না হওয়ায় ট্রাম্প রোববার এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা দেন।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে ট্রাম্প বলেন, যদি কোনো ইরানি জাহাজ আমাদের অবরোধের কাছে আসে, তবে তা সঙ্গে সঙ্গে ধ্বংস করা হবে। তিনি দাবি করেন, ইতোমধ্যে ইরানের নৌবাহিনীর বড় অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে।

এদিকে, ইরান এই অবরোধকে আন্তর্জাতিক অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর বলে আখ্যা দিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই প্রশ্ন তোলেন, বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষতি করে কি কোনো যুদ্ধ জেতা সম্ভব?

ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্রিটিশ মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, এই অবরোধ ‘কোনো পার্থক্য না করে’ সব দেশের জাহাজের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে, যদি তারা ইরানের বন্দর বা জ্বালানি স্থাপনার সঙ্গে যুক্ত থাকে।

যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইরানের হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার কথা থাকলেও এখনো সেখানে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হয়নি। ইরান অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে। কারণ তারা ইসরায়েলকে লেবাননে হামলা চালাতে দিচ্ছে।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সতর্ক করে বলেন, এই অবরোধের প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের ওপরই পড়বে এবং জ্বালানির দাম আরও বাড়বে। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন পেট্রলের দাম ৪ ডলারের বেশি হয়েছে, যা যুদ্ধ শুরুর আগে ৩ ডলারের নিচে ছিল।

অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, তাদের দেশ শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে এবং মধ্যস্থতার উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..