✕
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে কুলসুম রুবির কোলে নবজাতক
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-১৩, | ১৮:১৪:৪৮ |সিলেটের বিশ্বনাথে সিএনজিচালিত অটোরিকশা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে কান্নার শব্দ পেয়ে সড়কের পাশ থেকে ফুটফুটে এক নবজাতককে উদ্ধার করেছেন অটোরিকশাচালক।
রোববার রাতে উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের রামপাশা-লামাকাজি সড়কের ধলিপাড়া পিচের মুখ এলাকা থেকে ওই শিশু কন্যাকে উদ্ধার করেন মুক্তার মিয়া (৫৮) নামের অটোরিকশাচালক।
ওই অটোরিকশাচালক বিশ্বনাথ প্রবাসী চত্বরের রামপাশা সিএনজি স্ট্যান্ডে গাড়ি চালান। খবর পেয়ে নবজাতককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেছে পুলিশ।
সিএনজিচালক মুক্তার মিয়া জানান, তিনি লামাকাজি থেকে গাড়ি নিয়ে বিশ্বনাথের দিকে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে ধলিপাড়া পিচের মুখ পৌঁছলে তার গাড়ি কাকতালীয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় অন্ধকারেই তিনি সড়কের পাশ থেকে নবজাতকের কান্নার শব্দ শুনতে পান। তাৎক্ষণিক গাড়ি থেকে নেমে তিনি দেখতে পান, সড়কের পাশে কাঁথায় মোড়ানো অবস্থায় পড়ে আছে এক ফুটফুটে শিশু। তাকে উদ্ধার করে তিনি থানা পুলিশকে জানান।
পরে পুলিশ শিশুটি নিয়ে যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সারারাত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা শেষে সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে কুলসুম রুবি ওই শিশুর নাম রাখেন ‘ফাতেমা বেগম’। নাম রাখার পর ওই শিশুকে সিলেটের বাঘবাড়ি ছোটমণি নিবাসে প্রেরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওসমানীনগরের সার্কেল মানছুরা আক্তার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আনিসুল হোসেন, সমাজসেবা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম ও থানার ওসি গাজী মাহবুবুর রহমান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে কুলসুম রুবি ও থানার ওসি গাজী মাহবুবুর রহমান জানান, উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিশুটির নাম রাখার পর ছোটমণি নিবাসে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে অনেকেই দত্তক নিতে চাইছেন। যদি শিশুটি দত্তক নিতে হয় তাহলে ছোটমণি নিবাসে গিয়ে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।