✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

মানবতাবিরোধী অপরাধ

সালমান-আনিসুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন জুলাইয়ে গুলিতে পা হারানো ইমরান

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০২-২২, | ১৫:৫৩:১০ |
জুলাই অভ্যুত্থানে কারফিউ দিয়ে গণহত্যায় উসকানিসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে দুজনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ হয়েছে। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৩ মার্চ দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ সাক্ষ্যগ্রহণ হয়। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

ট্রাইব্যুনালে আজ প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন ইমরান হোসেন। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় ছোড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। প্রায় ৪০ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর তার ডান পা কেটে ফেলতে হয়। বিভীষিকাময় সেসব দিনের বর্ণনা তুলে ধরেন এই সাক্ষী।

চাকরির সুবাদে ওই দিন মিরপুর-১১ নম্বর থেকে ১০-এ আসছিলেন ইমরান। গোলাগুলি দেখে আত্মরক্ষায় আন্দোলনকারীদের মধ্যে আশ্রয় নেন তিনি। যেন পুলিশের গুলি না লাগে। মিরপুর-১০ এ আসতেই স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও পুলিশের এলোপাতাড়ি ছোড়া একটি গুলি তার ডান পায়ে লাগে।

এছাড়া দ্বিতীয় সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন শহীদ সিফাতের বাবা কামাল হাওলাদার। নিজের চোখের সামনেই গুলিবিদ্ধ হন তার ছেলে। ট্রাইব্যুনালে সিফাত হত্যার বিবরণ দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছেন।


ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম সরদার, সাইমুম রেজা তালুকদারসহ অন্যরা।

সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিপক্ষে জেরা করেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। সঙ্গে ছিলেন পলাশ চন্দ্র রায়সহ অন্যান্য আইনজীবী।

এদিকে, আজ সকালে সালমান ও আনিসুলকে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তাদের সামনেই সাক্ষ্য দেন সাক্ষীরা।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..