✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

সেহরি ও ইফতারে ৯ মিনিট যোগ-বিয়োগের হিসাব নিয়ে যা জানাল ইফা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০১-২৫, | ১৭:৪৪:৪৪ |
আসন্ন রমজান মাসকে কেন্দ্র করে ঢাকার সময়ের সঙ্গে নয় মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি নির্ধারণের যে তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তা ‘ভুল ও ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা)।

ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে রোজা শুরু হতে পারে। সে অনুযায়ী আসন্ন রমজান মাসের জন্য সারা দেশের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি শনিবার (২৪ জানুয়ারি) প্রকাশ করা হয়েছে।

তবে কিছু সংবাদমাধ্যম আগের মতো ঢাকার সময়ের সঙ্গে নয় মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি নির্ধারণের ‘বিভ্রান্তিকর’ তথ্য প্রকাশ করায় রোববার এ বিষয়ে একটি ব্যাখ্যা দিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রকাশিত সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি মূলত ঢাকা জেলা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য প্রযোজ্য।

কিছু সংবাদমাধ্যমে ওই সময়সূচি প্রকাশ করে বলা হয়েছে, দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মানুষ ভৌগোলিক অবস্থান ও দূরত্ব অনুযায়ী ঢাকার সময়ে সঙ্গে সর্বোচ্চ ৯ মিনিট পর্যন্ত যোগ করে অথবা ৯ মিনিট পর্যন্ত বিয়োগ করে সেহেরী ও ইফতার করবেন।

এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বলছে, ৯ মিনিটের বিষয়টি ‘সম্পূর্ণ ভুল ও ভিত্তিহীন’।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ ধরনের বক্তব্য বা তথ্য প্রদান করেননি। প্রকৃতপক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এ বছর ৬৪ জেলার জন্য পৃথক সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রস্তুত করেছে।    

এবারই প্রথম প্রতিটি জেলার জন্য আলাদা সময়সূচি প্রকাশ করেছে ফাউন্ডেশন। ফলে আগের মতো ঢাকার সময়ের সঙ্গে কোনো সময় বা মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে সেহরি ও ইফতারের সময় নির্ধারণ করা হয়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রত্যেক জেলার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন যে সময়সূচি নির্ধারণ করেছে, সে অনুযায়ী ওই এলাকার রোজাদারদের সেহেরি ও ইফতার করতে হবে।

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব এবং সেহরি ও ইফতার সময়সূচি প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক আবদুল মালেক বলেন, অন্যান্য জেলার মানুষ ঢাকা জেলার সময়সূচির সঙ্গে কোনো মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে নয়; বরং প্রত্যেক এলাকার মানুষ তার জেলার জন্য প্রণীত ও প্রকাশিত সময়সূচি অনুসরণ করবেন।

১৯ ফেব্রুয়ারি প্রথম রোজা হলে সেদিন ঢাকায় সেহেরির শেষ সময় হবে ভোর ৫টা ১২ মিনিটে এবং ইফতার করতে হবে সন্ধ্যা ৫টা ৫৮ মিনিটে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..