✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০৭-১৫, | ১১:৪৭:২৩ |

বর্তমান সময়ে ক্রেডিট কার্ড কেবল বিল পরিশোধ কিংবা অনলাইন কেনাকাটার মাধ্যম নয় এটি হয়ে উঠেছে অনেকের নিত্যদিনের আর্থিক সঙ্গী। জরুরি খরচ, বিদেশ ভ্রমণ কিংবা ছুটির দিনের শপিং সব ক্ষেত্রেই এর ব্যবহার বাড়ছে। তবে এই কার্ড ব্যবহারের আগে জানতে হবে কে নিতে পারবেন, কীভাবে পাবেন এবং কী কাগজপত্র লাগবে।

কারা আবেদন করতে পারবেন: ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার জন্য প্রথম শর্ত হলো, আপনার একটি স্থায়ী আয় থাকতে হবে বা ব্যাংকে জমাকৃত অর্থের প্রমাণ থাকতে হবে। চাকরিজীবীরা যদি ন্যূনতম মাসিক ৩০ হাজার টাকা আয় করেন, তাহলে তারা ব্যাংকের কাছ থেকে ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। অন্যদিকে, ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে, বার্ষিক ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন থাকলেই তারা এই সুবিধা নিতে পারবেন। এমনকি কিছু নির্ভরশীল শিক্ষার্থীও যোগ্য পরিবারের সদস্য হলে পেতে পারেন ক্রেডিট কার্ড।

আবেদন করবেন যেভাবে: বর্তমানে ব্যাংকগুলো অনলাইনের মাধ্যমে ক্রেডিট কার্ডের আবেদন গ্রহণ করে। আপনি অনলাইনে আবেদন করলে ব্যাংকের প্রতিনিধি আপনার ঠিকানায় গিয়ে আবেদনপত্র পূরণে সহায়তা করবে। তারপর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই কুরিয়ারের মাধ্যমে আপনার ঠিকানায় পৌঁছে যাবে কার্ড ও পিন নম্বর। কার্ডের জন্য আলাদা ব্যাংক হিসাব খোলার প্রয়োজন নেই। তবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা দিতে হবে:

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)
দুই কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি
বর্তমান ঠিকানার প্রমাণ (যেমন গ্যাস বা বিদ্যুতের বিল)
পূর্বের ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট
নমিনির ছবি ও পরিচয়পত্র
রেফারেন্স হিসেবে ব্যাংকের গ্রাহকের নাম
আবেদনের পর ব্যাংক আপনার ক্রেডিট স্কোর, আয়-ব্যয়ের সামর্থ্য ও লেনদেনের ধারাবাহিকতা যাচাই করে। যাচাই শেষে নির্ধারণ করা হয় কার্ড মঞ্জুর হবে কি না এবং কার্ডের সীমা কত হবে।

খরচ ও ব্যবহারবিধি: ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার মানে হলো, আপনি এখন খরচ করছেন, পরে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাংককে সেই অর্থ ফেরত দিচ্ছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ না করলে দিতে হবে বাড়তি সুদ। কার্ড হাতে পাওয়ার পর নিজের পছন্দমতো পিন নম্বর সেট করতে হবে। মাসিক খরচের সর্বোচ্চ সীমা জেনে নেওয়া এবং কতদিনের মধ্যে বিনা সুদে বিল পরিশোধ করা যাবে, সেটি মাথায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত ব্যাংকগুলো এক হাজার থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত বাৎসরিক মাশুল নেয়। তবে নির্দিষ্ট লেনদেনের পরিমাণ পূরণ হলে অনেক সময় মাশুল মওকুফও করা হয়।

ক্রেডিট কার্ড হতে পারে আপনার দৈনন্দিন জীবনযাত্রার একটি উপকারী আর্থিক মাধ্যম শর্ত হলো এটি সচেতনভাবে এবং নিয়ম মেনে ব্যবহার করা। আয় ও প্রয়োজন বিবেচনায় আপনি চাইলে এখনই অনলাইনে আবেদন করতে পারেন আপনার পছন্দের ব্যাংকে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..