✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

রপ্তানি বাড়লেও কমেছে চা পাতার উৎপাদন

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০২-২৭, | ১০:৩৫:১২ |

বিশ্ববাজারে বাড়ছে বাংলাদশের চা পাতার রপ্তানি। জাপান, নিউজিল্যান্ড, সাইপ্রাসসহ পৃথিবীর ১৮টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের চা পাতা। তবে উৎপাদন কমেছে ২০২৪ সালে। ২০২৩ সালে উৎপাদন হয়েছিল ১০ কোটি ২০ লাখ কেজি চা, ২০২৪ সালে কমে হয়েছে নয় কোটি ৩০ লাখ কেজি। বাগান মালিকরা বলছেন, উৎপাদনের চেয়ে এখন বিশ্বমানের চা পাতা উৎপাদন করা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিদিন দেশের ১১ কোটি চায়ের কাপে চুমুক দেয় মানুষ। বার্ষিক চাহিদা প্রায় চার হাজার কোটি কাপ।

গত পাঁচ বছরের চা রপ্তানির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালে ২১ লাখ কেজি ৩৪ কোটি ৭১ লাখ টাকা, ২০২১ সালে ছয় লাখ কেজি ১৮ কোটি পাঁচ লাখ টাকা, ২০২২ সালে সাত লাখ কেজি ১৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, ২০২৩ সালে ১০ লাখ কেজি ২৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা ও ২০২৪ সালে ২৪ লাখ কেজি ৪৫ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।

এর আগে ২০২০ সালে ২১ লাখ কেজি চা রপ্তানি হলেও ২০২১-২২ সালে তা অনেকটা কমে যায়। তবে ২০২৩ ও ২০২৪ সালে রপ্তানিতে আবার ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।

চা বোর্ডের তথ্য বলছে, বর্তমানে পৃথিবীর ১৮টি দেশে চা পাতা রপ্তানি করছে বাংলাদেশ। পাকিস্তান, ভারত ও দুবাইয়ের পাশাপাশি চা যাচ্ছে নিউজিল্যান্ড, জাপান, মারিশাস, ফ্রান্স, সাইপ্রাসেও।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন বলেন, ‘স্টেক হোল্ডার যারা আছে, যারা ব্যবসা করছে তারাও চেষ্টা করছে, আমরা তাদেরকেও অনুরোধ করছি তারা যেন নতুন নতুন দেশগুলোতে রপ্তানির চেষ্টা করে। আর আমাদের দিক থেকে রপ্তানির বিষয়ে ফ্যাসিলিটি দেওয়ার জন্য রেডি আছি এবং মন্ত্রনালয়ও অনেক পজেটিভ।

গবেষণা সংস্থা এনএমএসসির প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪ সালে বৈশ্বিক চা পাতার রপ্তানি বাজার প্রায় আট বিলিয়ন ডলার। যেখানে রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে বাংলাদেশের অবস্থান ৫০ এরও পরে।

চা প্যাকেটিয়ার্সের সায়েম খাদেম বলেন, বিশ্বমানের চা পাতা উৎপাদন করা এখন অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

ফটিকছড়ি চৌধুরী টি এস্টেটের পরিচালক মো. জাহাঙ্গির আলম বলেন, ভালো মানের চা উৎপাদন না হওয়ার কারণ হচ্ছে ওখানে প্লাকিং গ্রাউন্ড হচ্ছে না। ওখানে উৎপাদন হচ্ছে অনেক কিন্তু কোয়ালিটি ধরে রাখতে পারছে না।

২০২৪ সালে বাংলাদেশে উৎপাদিত চা পাতার বাজার মূল্য প্রায় দুই হাজার ৮০০ কোটি টাকা। তবে গুণগত মান না থাকায় নিলামে এ বছর প্রায় ১০ লাখ কেজি চা পাতা থেকে গেছে অবিক্রিত।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..