✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

৫ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা প্রায় ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি : রেড ক্রস

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০৮-৩০, | ০৮:১৯:৪২ |

আড়াই লাখেরও বেশি নিবন্ধিত লোক নিখোঁজ হয়েছে। জেনেভা থেকে রেড ক্রস এএফপিকে শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে। রেড ক্রস জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী প্রায় ২ লাখ ৮৪ হাজার ৪০০ জন মানুষ নিখোঁজ হিসেবে নিবন্ধিত, যা পাঁচ বছরে প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি। আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি (আইসিআরসি) জানিয়েছে, এই বৃদ্ধির কারণ সংঘাত, ব্যাপক অভিবাসন এবং যুদ্ধের নিয়মের প্রতি সম্মানের অভাবের কারণে। 

রেড ক্রসের মহাপরিচালক পিয়ের ক্রাহেনবুহল এক বিবৃতিতে বলেন, ‘সুদান থেকে ইউক্রেন, সিরিয়া থেকে কলম্বিয়া পর্যন্ত, ট্রেন্ডটি পরিষ্কার।

নিখোঁজ ব্যক্তিদের সংখ্যা বাড়ছে, কারণ যুদ্ধের পক্ষ এবং তাদের সমর্থকরা মানুষের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ।’ ২০২৪ সালের শেষের দিকে, আইসিআরসি-এর ফ্যামিলি লিংকস নেটওয়ার্কে ২ লাখ ৮৪ হাজার ৪০০ জন মানুষ নিখোঁজ হিসেবে নিবন্ধিত ছিল, যা ২০১৯ সালের তুলনায় ৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

কিন্তু ক্রাহেনবুহল সতর্ক করে বলেন, এই সংখ্যা ‘বরফের চূড়া মাত্র’।

তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মানুষ বছরের পর বছর বা দশক ধরে তাদের প্রিয়জনদের থেকে আলাদা রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘নিখোঁজের এই ট্র্যাজেডি অস্বাভাবিক নয়। যদি এর বিরুদ্ধে শক্তিশালী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, আটক ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয় এবং মৃতদের সঠিকভাবে তাদের পরিবারের কাছে ফেরত দেওয়া যায়, তবে অগণিত পরিবার এক জীবনের কষ্ট থেকে বাঁচতে পারবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রতিটি সংখ্যার পেছনের নাম মা, বাবা, সন্তান বা ভাই-বোন, যার অভাব একটি ক্ষত তৈরি করে।

এই ক্ষত পরিসংখ্যান করে মাপা যায় না।’

আইসিআরসি আরো বলেছে, রাষ্ট্র এবং যুদ্ধের পক্ষগুলোর প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে নিখোঁজ ব্যক্তিদের ঘটনা পরিষ্কার করা এবং তাদের পরিবারের প্রতি সহায়তা প্রদান করা। তারা বলছে, ‘সহিংসতা শেষ হওয়ার পরে কিভাবে রাষ্ট্রগুলো নিখোঁজ ব্যক্তিদের বিষয়টি মোকাবেলা করবে, তা দীর্ঘকাল ধরে সমাজকে প্রভাবিত করতে পারে।’

আইসিআরসি উল্লেখ করেছে যে, ‘যখন যুদ্ধের পক্ষগুলো আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের প্রতি সম্মান দেখায়, তখন নিখোঁজ হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।’ যেমন যুদ্ধের নিয়মের মধ্যে রয়েছে, আক্রমণকারী শক্তির দ্বারা সামরিক এবং বেসামরিক নাগরিকদের স্থানান্তর বা পরিবারের সদস্যদের আলাদা না করা।

এ ছাড়া তারা বলেছে, যুদ্ধের পক্ষগুলোকে আটক ব্যক্তিদের সম্পর্কে সময়মতো তথ্য দিতে হবে এবং তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার সুযোগ দিতে হবে। শত্রু সেনাদের মৃতদেহের হিসাব রাখা আমাদের দায়িত্ব, যাতে তাদের পরিণতি পরিবারগুলো জানে এবং তারা নিখোঁজ হিসেবে নিবন্ধিত না হয়।

সূত্র : এএফপি

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..